দিরাই-শাল্লায় পরিবর্তনের ডাক শিশির মনিরের: জনসভায় মানুষের ঢল


দ্যা সিলেট পোস্ট প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৩১, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন /
দিরাই-শাল্লায় পরিবর্তনের ডাক শিশির মনিরের: জনসভায় মানুষের ঢল

হাবিবুর রহমান হাবিব, শাল্লা (সুনামগঞ্জ) থেকে:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে। ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের সমর্থনে শাল্লা উপজেলার শাল্লা গ্রামে আয়োজিত এক বিশাল জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

​গত ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির।

​এলাকার উন্নয়নের একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরে তিনি বলেন, “দিরাই-শাল্লার মাটি ও মানুষের সাথে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই এলাকার মানুষের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপনারা যদি আগামী নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে সেবা করার সুযোগ দেন, তবে এই জনপদকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও বৈষম্যহীন মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।” তিনি আরও যোগ করেন যে, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং হাওর অঞ্চলের তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হবে তার সংসদীয় কার্যক্রমের প্রধান লক্ষ্য।

​সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুর গড়াতেই শাল্লা উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীরা সভাস্থলে সমবেত হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জনসভাটিকে একটি বিশাল গণসমাবেশে রূপ দেয়।

​শাল্লা গ্রামের বাসিন্দা শামসুল আলম বসুর সভাপতিত্বে এবং মাওলানা মোয়াজ্জেম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন নূরে আলম সিদ্দিকী, ভূবন বৈষ্ণব, বিধান চৌধুরী, মজিবুর রহমান, মাওলানা শাহীনূর রহমান, রাকিবুল হাসান, আব্দুল কুদ্দুস নোমান, জুনায়েদ আল হাবিব, আব্দুল গফুর, সেলিম আহমদ, বাহাদুর রহমান ও মাসুম বিল্লাহ। বক্তারা দিরাই-শাল্লার টেকসই উন্নয়নের জন্য শিশির মনিরকে একজন সৎ, যোগ্য ও উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী হিসেবে অভিহিত করে তাকে বিজয়ী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

​জনসভা শেষে সন্ধ্যায় অ্যাডভোকেট শিশির মনির বাহাড়া ইউনিয়নের ভেড়াডহড় গ্রামে একটি কীর্তন অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন, যা এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।