সিলেট প্রতিনিধিঃ
সিলেটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত দুদিনব্যাপি মুজিববর্ষ আন্ত:কলেজ ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারে কাজী নজরুল ইসলাম অডিটরিয়ামে পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ হয়। দুদিনের এ প্রতিযোগিতার ভেন্যু ছিল মদন মোহন কলেজ। এতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
মদন মোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর সর্ব্বানী অর্জুনের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক আব্দুল মালিক সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে পড়াশোনার পাশাপাশি সংস্কৃতিচর্চা ও খেলাধূলার বিকল্প নেই। এগুলো মেধা ও মননের বিকাশে ভূমিকা রাখে। একই ভাবে আমাদের শেকড়ের চর্চাকে শানিত করে। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতি ও ক্রিড়া চর্চা করতে হবে।
সমাপানী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেট আঞ্চলিক অফিসের পরিচালক ড. গোলাম রব্বানী, উপ-পরিচালক আব্দুল খালিক। এসময় উপস্থিতি ছিলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর আসমা-উল-হোসনা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, বিশিষ্ট কবি প্রফেসর হোসনে আরা কামালী, অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আদিবা খানম, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক ধ্রুবরাজ চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক উজ্জল দাস।
সভাপতির বক্তব্যে মদন মোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সর্ব্বানী অর্জুন বলেন, কোভিড-১৯ মহামারীর সময় প্রায় দেড়বছর শিক্ষার্থীরা সরাসরি পাঠগ্রহণ বা খেলাধূলাসহ সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশ নিতে পারেনি। এখন আবার সুযোগ এসেছে আমাদের চেনা সময়ে ফিরে যাবার। আমার বিশ্বাস, মুজিববর্ষকে সামনে রেখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ত:কলেজ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি করবে। ফিরিয়ে নেবে আমাদের পরিচিত জগতে।
সমাপনী দিনে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব পরিচালনা করেন, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক ধ্রুবরাজ চৌধুরী এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক সালমান ফরিদ। শেষ দিনে ৮টি বিভাগে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগের দিন ২২ নভেম্বর সোমবার এমসি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ক্রিড়া প্রতিযোগিতা। শেষে ওইদিন বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :