জামায়াতে ইসলামী ইনসাফ ও ন্যায়ের রাষ্ট্র প্রত্যাশা করে – কুলাউড়ায় ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে ডা: শফিকুর রহমান


দ্যা সিলেট পোস্ট প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১, ২০২৫, ১০:৪৭ অপরাহ্ন /
জামায়াতে ইসলামী ইনসাফ ও ন্যায়ের রাষ্ট্র প্রত্যাশা করে – কুলাউড়ায় ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে ডা: শফিকুর রহমান

কুলাউড়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডাঃ শফিকুর রমান বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়। যে দেশে মানুষ মানুষকে সম্মান করবে, সেদেশে মানুষের সকল অধিকার নিশ্চিত হবে। তিনি মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় কুলাউড়া ডাকবাংলো মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে এসব কথা বলেন।

উপজেলা জামায়াতের আমীর সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মুন্তাজিমের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি প্রভাষক বেলাল আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় জামায়াতের আমির আরো বলেন, আমরা একটি ইনসাফ, ন্যায়ের ও একটি মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা করি। দুঃখের বিষয় তা আজও আমরা পাইনি।
তিনি বলেন, আমরা সাফ বলেছি; এদেশে মেজরিটি-মাইনরিটি আমরা কিছুই মানি না। এ দেশের নাগরিক প্রত্যেকে সমমর্যাদাবান। ছোট্ট একটা দেশে এত ভাগ কিসের। জাতীয় স্বার্থে আমরা সবাই এক। কারণ, দেশ বাঁচলে আমিও বাঁচব, সবাই বাঁচবে। আমরা একটা শান্তিপূর্ণ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

তিনি বলেন, আমরা সরকার গঠন করলে মানুষের সেবক হবো। একটি রাজনৈতিক দল নানাভাবে জাতিকে বিভক্ত করে রেখেছে। আমরা বিভেদ দেখতে চাইনা।

জামায়াতের আমীর বলেন, গত ১৫ বছর শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার মধ্যে আমরা ছিলাম। দেশের মধ্যে থেকেও আমি ১০ মাস নিজের স্ত্রী-সন্তানদের মুখ দেখতে পারিনি। কারো সাথে কথা বলতে পারিনি। আল্লাহর ইচ্ছায় ছাত্র জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জুলুমের হাত থেকে আমরা শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেয়েছি। এই ১৫ বছরে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই দলের মতো ক্ষতি আর কোন দলের হয়নি। অন্যায়ভাবে আমাদের দলের নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রদের কোটা আন্দোলন সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনে রুপ নেয়। এটা কোন দলের বা কোন গোষ্ঠির আন্দোলন ছিলনা। সেই আন্দোলন ছিল দেশের সকল মানুষের আন্দোলন। এর কৃতিত্ব ছাত্র জনতার। অনুষ্ঠানে দলের স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তবয় রাখেন।