কুলাউড়ায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদোগে বিজয় র‍্যালি 


দ্যা সিলেট পোস্ট প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২১, ২০২১, ১২:২২ পূর্বাহ্ন /
কুলাউড়ায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদোগে বিজয় র‍্যালি 

কুলাউড়া প্রতিনিধি:

বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুলাউড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে কুলাউড়ায় বিজয় র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) কুলাউড়া শহীদ মিনার থেকে র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুলাউড়া উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি শফিউল আলম শফির সভাপতিত্বে ও পৌর সভার কাউন্সিলর আতাউর রহমান চৌধুরী ছোহেলের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জাসদ নেত্রী নেহার বেগম, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি বদরুল ইসলাম বদর, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মাহবুবুর রহমান মান্না ও কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আহমদ নোমান প্রমুখ।

আওয়ামীলীগের স্থানীয় অনেকেই জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একে এম সফি আহমদ সলমান তার অনুসারী আওয়ালীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহরে শোডাউন করেন। পরে শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ এনে বিষেদাগার বক্তব্য দেন। এরই প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুলাউড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে বিজয় র্যালী কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়। আলোচনা সভায়

প্রধান অতিথি আ.স.ম কামরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন- “আমরা কৃষক পরিবারের সন্তান। আমার পিতা একজন কৃষক ছিলেন। একজন আদর্শ রাজনীতিবীদ হিসেবে আজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। মানুষের ভালবাসায় তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমরা সেই পরিবারের সন্তান।

তিনি একে এম সফি আহমদ সলমানের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, জমি দখল আমরা করিনি। দূর্নীতিও করিনি। দূর্নীতির কারণে আমার পরিবারের কেউ ওয়ান ইলেভেনের সময় সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হননি। কুলাউড়ার মানুষ জানে, কে দূর্নীতিবাজ?

তিনি চ্যালেঞ্জ চুড়ে বলেন- কেউ আমার বিরুদ্ধে সামান্য দূর্নীতির প্রমান দেখাতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দিব। আসম কামরুল আরো বলেন- আমার বিরুদ্ধে যিনি দূর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন খুব শীগ্রই তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির তদন্ত শুরু হবে।