
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম!
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রচণ্ড , শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত দুর্ভোগে পড়েছে। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি । এর আগে তাপমাত্রার কিছুটা পরিবর্তন হলে ১০ থেকে ১৫তে ওঠানামা করছে।
পঞ্চগড়সহ কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে । এদিকে সারা দিন ঘন কুয়াশায় দুই দিনে পর সূর্যে দেখা মিলেছে।
এখনো শীতার্ত মানুষের মধ্যে প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র বিতরণ করতে তেমন চোখে পড়েননি। সরকারিভাবে যতটুকু বরাদ্দ পাওয়া গেছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ঠান্ডার কারণে সাধারণ মানুষ কাজকর্ম করতে পারছে না। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের জেলা হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার জনজীবন। চিকিৎসকদের মতে, শীতজনিত রোগে সবচেয়ে বেশি ভুগছে শিশু ও বয়স্করা।
এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বুধবার ৭ জানুয়ারি সকালে
তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
যা গতকালের তুলনায় ১ ডিগ্রি কম। এভাবে কমতে থাকলে আগামী কয়েক দিন শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পাবে।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আফরোজ শাহীন খসরু জানান, সরকারিভাবে তেঁতুলিয়া উপজেলার জন্য যতটুকু শীতবস্ত্র বরাদ্দ পাওয়া গেছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। তাই তেতুলিয়া সরকারী বে সরকারী ইনজিও সহ বিভিন্ন সংস্থা কে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
তেঁতুলিয়া হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাকিল রহমান জানান, শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি গরম কাপড় ব্যবহার এবং শীতজনিত কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত তেতুলিয়া জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের
কাছে আসতে বলেন।
পঞ্চগড় জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ আলী বলেন, জেলায় শীতার্ত মানুষের জন্য ২১ হাজার ১৪০ পিস কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা ইতোমধ্যে পাঁচটি উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বাড়তি শীতবস্ত্র চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তেতুলিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম জানান,তেতুলিয়া উপজেলা ৭ টি ইউনিয়ন রয়েছে। সকল ইউপির চেয়ারম্যানের কাছে সরকার ভাবে কম্বল বিতরন জন্যে প্রেরন করা হয়েছে। তেতুলিয়া গ্রামের ছিন্নমূল অসহায় মানুষ জন প্রভাবশালী মানুষের নিকট শীতবস্ত্র পাওনা জন্যে ধন্না দিতেছে।
তেতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ ইউপির প্যানেল চেয়ার ম্যান মনছুর আলী জানান সরকারি ভাবে পরিষদে মোট কম্বল পেয়েছি ২২৬ টি কিন্তু জনসংখ্যা বিপরিদে খুবই কম।
আপনার মতামত লিখুন :