স্টাফ রিপোর্টার
জুলাই ৩৬ আন্দোলনে বানিয়াচং যখন উত্তপ্ত তখন যুবলীগ ও ছাত্র লীগের হঠকারিতায় আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে সাধারণ মানুষ। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শেষ স্হান ছিলো শহীদ মিনার চত্বর। সকাল ১০ টার আগেই খবর রটে যায়, আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানায় জড়ো হয়ে পুলিশ নিয়ে আন্দোলনকারীদের দমন করবে।
১৯ জুলাই যে ভাবে পুলিশ নিয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকে ছত্র ভঙ্গ করে ৬৫ জনকে আহত করেছিলো। সকাল১১ টার সময় হাজার হাজার ছাত্র জনতা থানা অভিমুখে মিছিল করে বিবির দরগা মসজিদের নিকট যাওয়া মাত্র গুলিতে ২ জন নিহত হন। পুলিশ ও ছাত্র লীগ নিহতের মরদেহ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। একই স্হানে গুলিতে মারা যায় আরো ১ জন। থানা তখন অনেক দূরে ছিলো। নিহতের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পাড়ায় পাড়ায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে মানুষ থানা ঘেরাও করে। সেখানে গুলিতে নিহত হন আরো ৬ জন। আহত হন শতাধিক মানুষ। উত্তেজিত জনতা থানার গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আগুন ধরিয়ে দেয়। থানার ভিতর আটকা পরে পুলিশ ও দলীয় ক্যাডার বাহিনী। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশকে উদ্ধার করেন। দূর্ভাগ্য বসত একজন এস আই সন্তোষ চৌধুরীকে রাত পৌনে ১ টার সময় অন্ধকারে ছিনিয়ে নেয় উত্তেজিত জনতা। তিনি গণপিটুনিতে নিহত হন।দলীয় বাহিনী অন্ধকারে দেওয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যায়। আজ ৫ ই আগষ্ট নয় শহীদের স্মরণে জেলা প্রশাসন ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রত্যেক শহীদের কবরে পুষ্প স্তবক অর্পন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :